সর্বশেষ সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

Bangla News bangladesh news Bengali News Bangla NewsPaper bangladesh newspaper Paper Bengali NewsPaper Bangla bengali newspaper Online Bangla News bangla news bd newspaper bangladesh newspapers bangla news paper bangladeshi newspaper news paper bangladesh daily newspapers of bangladesh current news bengali daily newspaper daily bangla newspaperdaily news bangladesh news dhaka news world news national news bangladesh media bangladesh sports bangladesh politics bangladesh business bangla khobor bangla potrika.

human-rights news Bangla News Bangladesh News Bengali News Bangla NewsPaper bangladesh Newspaper Paper, Bengali NewsPaper,bangla newspaper , Online Bangla News. bd all bangla newspaper, bangladesh newspaper bangla news paper bangladeshi newspaper news paper bangladesh, daily newspapers of bangladesh current news bengali bangladesh daily newspaper daily newspaper,daily news,dhaka news.

world news national news bangladesh bangla papermedia bangladesh sports bangladesh politics bangladesh business all bangla news bangla khobor,bangla potrika,human-rights news, bangla bangladesh prothom alo bangladesh newspaper bangla newspaper bangla news bdnews24 bangladesh news bd news bangla news paper bdnews24 bangla all bangla newspaper bd newspaper bangladeshi newspaper bangladesh newspapers bangladesh news paper banglanews bd news 24 anglanews24 bdnews bengali newspaper newspaper bangladesh all bangla news bangladesh daily newspaper daily bangla news paper bangla paper.

আমেরিকাকে প্রধান শত্রু মনে করে রাশিয়ার ৭৩ ভাগ মানুষ!

রাশিয়ার ৭৩ শতাংশ মানুষ আমেরিকাকে তাদের প্রধান শত্রু বলে মনে করে। অন্যদিকে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষ চীনকে রাশিয়ার প্রধান বন্ধু হিসেবে ভাবছে। সাম্প্রতিক এক মতামত জরিপে এ সব তথ্য উঠে এসেছে।

এ জরিপ চালিয়েছে রাশিয়ার প্রভাবশালী সংস্থা ভিটিএসআইওএম সেন্টার। এ জরিপে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে রাশিয়ার মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ আমেরিকাকে প্রধান শত্রু হিসেবে গণ্য করলেও এখন সে সংখ্যা বেড়ে ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে। অন্যদিক ৩২ শতাংশ রুশ নাগরিক ইউক্রেনকে দেশটির প্রধান শত্রু হিসেবে গণ্য করে। ২০০৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ২১ শতাংশ।

এদিকে, রাশিয়ার বন্ধুর তালিকায় চীন ছাড়া আর সে সব দেশ ঠাঁই পেয়েছে সেগুলো হলো ভারত, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল। গত মাসের শেষ দিকে রাশিয়ার ৪২ অঞ্চলের ১৩০টি শহর  এবং গ্রামে এ মতামত জরিপ চালানো হয়েছে।
১০ অক্টোবর (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

৭০০ ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেছে আইএসআইএল

উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে প্রায় ৭০০ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। ব্রিটেনভিত্তিক কথিত মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগকেই হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আয-যোর প্রদেশের আল-শেইতাত গোত্রের লোকদের ওপর গত দু’সপ্তাহে আইএসআইএল এই পাশবিকতা চালায়। নিহতদের প্রায় সবাই বেসামরিক নাগরিক। তাকফিরি সন্ত্রাসীরা এসব মানুষকে আটক করার পর নির্বিচারে হত্যা করে। নিহত ৭০০ ব্যক্তির মধ্যে অন্তত ৬০০ জন বেসামরিক লোক ছিল বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসন বিরোধী সংস্থা অবজারভেটরি।

দেইর আয-যোর প্রদেশের কারানজি, আবু হামাম ও কাশকিয়া গ্রামে এ গণহত্যা চালায় আইএসআইএল। অবজারভেটরির প্রধান রামি আব্দের রহমান জানিয়েছেন, আল-শেইতাত গোত্রের আরো ১,৮০০ ব্যক্তির ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি।

অন্যান্য গণহত্যার মতো গত দু’সপ্তাহের এ পাশবিকতার দৃশ্যও ক্যামেরায় ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে আইএসআইএল জঙ্গিরা। লোমহর্ষক এসব ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শেইতাত অধ্যুষিত কয়েকটি গ্রামে একের পর এক লাইন দিয়ে বসিয়ে নিরীহ মানুষের গলা কাটছে জঙ্গিরা। গলা কাটার পর হতভাগ্য লোকগুলো যখন মৃত্যু যন্ত্রনায় মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে তখন সন্ত্রাসীরা ঠাট্টা-মস্করা করছে এবং ছাগলের মতো হেঁটে নিহত ব্যক্তিদের অনুকরণ করছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন ছিল আহত ব্যক্তি। আইএসআইএল-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে তারা আহত হয়েছিল। তাকফিরিরা নিকটবর্তী হুজেইন হাসপাতাল ও মায়াদিন শহরের ‘নিউ মেডিক্যাল সেন্টার’ থেকে চিকিৎসারত এসব আহত ব্যক্তিকে ধরে এনে গলা কেটে হত্যা করে। শেইতাত গোত্রের বয়োঃবৃদ্ধ নেতারা আইএসআইএল’কে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এ গণহত্যা চালায় তারা।

(রেডিও তেহরান)

Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ইসরাইলের টার্গেট - বেসামরিক লোক: হামাসের টার্গেট - সেনা

গাজায় যত্রতত্র: লাশ- আহাজারি
গাজা আগ্রাসনের মাধ্যমে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে ধ্বংস না করতে পেরে ইহুদিবাদী ইসরাইল টার্গেট করেছে বেসামরিক লোকজনকে।

ইহুদিবাদী সেনাদের হামলায় এ পর্যন্ত যত শহীদ হয়েছেন তার মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক লোকজনই বেশি। ইসরাইলের ‘হাতের পুতুল’ খোদ জাতিসংঘ বলছে, নিহতদের মধ্যে শতকরা ৮০ ভাগ বেসামরিক মানুষ যার মধ্যে বিরাট অংশ হচ্ছে নারী ও শিশু।

অন্যদিকে, ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস টার্গেট করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে। এ পর্যন্ত ইসরাইলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হামাসের হাতে নিহত হয়েছে ৫৬ সেনা। অবশ্য, হামাস বলছে নিহত সেনা সংখ্যা ১৪০-এর বেশি। আর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৪০ সেনা যার মধ্যে ১৪ জনের অবস্থা আশংকাজনক। এই তথ্য পরিসংখ্যান থেকে পরিষ্কার হয় যে, ইসরাইল হামাসের মোকাবেলায় কার্যত পরাজিত হয়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে যা পরিষ্কারভাবে যুদ্ধাপরাধ।
সুত্র : রেডিও তেহরান

Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

হামাসের সাইবার যোদ্ধারা: ইসরাইলিদের কাঁপুনি


অধিকৃত ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সাইবার যোদ্ধারা মনস্তাত্ত্বিক উন্নত রণকৌশল গ্রহণ করে সাইবার জগতে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে নাস্তানাবুদ করে তুলেছে। গাজায় ইহুদিবাদী আগ্রাসনের ভয়াবহতা বাড়ার পাশাপাশি ইসরাইলে সাইবার হামলার পরিমাণ পূর্বের তুলনায়  অন্তত ১০ গুণ বেড়েছে বলে ইহুদিবাদী সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। গত মাসের প্রথম সপ্তাহের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার রিসার্চ সেন্টারের প্রধান আইজ্যাক বেন-ইসরাইল হিসাবে বলা হয়েছে, সাধারণত ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সাইটগুলোর বিরুদ্ধে  দৈনিক এক লাখ সাইবার হামলা হয়। কিন্তু গাজায় আগ্রাসনের পর থেকে গড়ে দৈনিক ১০ লাখ সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে এ সব সাইট।

অবরুদ্ধ গাজা থেকে ইসরাইলি অবস্থানগুলোতে রকেট বৃষ্টি, ইসরাইলি আকাশ সীমায় ড্রোন হামলার পাশাপাশি সাইবার হামলা ও হ্যাকিংয়ের মধ্য দিয়ে ইহুদিবাদীদের জন্য মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে হামাস। হামাসের সাইবার সেনারা একাধারের টুইটার, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠানো এসএমএস এবং উপগ্রহ সম্প্রচারের মাধ্যমে যে সব বার্তা প্রেরণ করছে তা ইহুদিবাদী ইসরাইলে গভীর আতংকের সৃষ্টি করছে। ইহুদিবাদীদের স্নায়ুর ওপর এ ভাবে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং তাদেরকে দুঃস্বপ্ন, হতাশা ও মানসিক পীড়নের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ব্লুমবার্গ ডট কমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পরোক্ষা ভাবে এ সব নিশ্চিত করেছেন ইহুদিবাদী ইসরাইলের ন্যাশনাল সাইবার ব্যুরোর প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার রিসার্চ সেন্টারের প্রধান আইজ্যাক বেন-ইসরাইল।

তিনি জানান, হাইফার পেট্রোরাসায়নিক প্ল্যান্টে হামাসের কম্যান্ডোর হামলা করেছে এমন এক বার্তা পেয়েছেন তার মোবাইল ফোনে। আর এ বার্তা ইসরাইলি দৈনিক হারতেজ পাঠিয়েছে বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছিল। কিন্তু অনুসন্ধানে উঠে আসে দৈনিকটি এ জাতীয় কোনো বার্তা পাঠায় নি বা এ জাতীয় খবর প্রকাশ করে নি। কিন্তু ততক্ষণে  যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। আতংক ছড়িয়ে পড়েছে ইসরাইলে। এ ছাড়া হামাসের পরবর্তী সাইবার হামলা এর চেয়ে মারাত্মক হবে তা অনুমান করতে কষ্ট হয় না বলে জানান তিনি।

গত মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে হামাসের সাইবার যোদ্ধারা ইহুদিবাদী ইসরাইলের জনপ্রিয় ডোনিনো’জ পিৎজ্জার ফেসবুক পাতা হ্যাক করে একটি বার্তা সেটে দেয়। এতে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা উপত্যকায় হামাসের নিয়ন্ত্রণে আনুমানিক ১০ হাজার রকেট রয়েছে। এ সব রকেট বহরের এক পঞ্চমাংশ দিয়ে এক দিনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবস্থানগুলোর ওপর একযোগে হামলা চালানো হবে। ইহুদিবাদীদের  অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ‘শিন বেত’ তাদের নাম ব্যবহারে করে এ সংক্রান্ত ভুয়া টেক্সক্ট বার্তা ইসরাইলে প্রচারিত হয়েছে। কাল্পনিক রকেট হামলা এবং আহতদের বিবরণও দেয়া হয়েছে এতে।

হামাস এবং ইসলামি জ্বিহাদের সাইবার গেরিলারা দিনরাত তৎপর রয়েছেন। ইসরাইলি সাইবার কেন্দ্রের ওপর অব্যাহত হামলা করছেন তারা। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সাইবার যোদ্ধাদের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তুলেছেন ভারচুয়াল জগতের গেরিলা যোদ্ধারা। ২০১২ সালে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের দিনগুলোতেও একই ভাবে সাইবার হামলা হয়েছে ইসরাইলে। আটদিনের এ যুদ্ধের সময়ে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সরকারি সাইটগুলোতে হামলার জন্য বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল হামাস। সে সময়ে ইসরাইলি গুরুত্বপূর্ণ সাইটগুলোর বিরুদ্ধে চার কোটি ৪০ লাখ সাইবার হামলা হয়েছিল। ইসরাইলি কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা সে সময়ে নাজেহালের চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলেন।

অবশ্য ইসরাইল সে সময়ে যে সব কম্পিউটার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল তার কোনো কোনোটি এবারের হামাসের হামলায় নস্যাৎ হয়ে গেছে। কিংবা এ গুলোর বিরুদ্ধে হামাসের সাইবার যোদ্ধাদের শাণিত আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

গত মাসের ৩ তারিখে ইসরাইলি সেনা মুখপাত্রের টুইটার পেইজ দখল করে নেয় হামাস যোদ্ধারা। তারা এ থেকে বার্তা ছড়িয়ে দেয় যে হামাসের রকেট দিমোনা পরমাণু চুল্লিতে আঘাতের পর সেখান থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী পরে এ খবরের সত্যতা অস্বীকার করেছে। এ ছাড়া তাদের মুখপাত্রের পেইজ কী ভাবে হ্যাক করা হলো তা নিয়ে তদন্ত করছে।

হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম বিগ্রেডে গত মাসের ১৬ তারিখে ইসরাইলি মোবাইল ফোনগুলোতে হিব্রুতে একটি বার্তা পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিরা দিমোনা থেকে হাইফা পর্যন্ত ইসরাইলের প্রতিটি অংশ দ্রুততার সঙ্গে আঘাত হানতে পারে এবং এতে ইসরাইলিরা আতংকে ইঁদুরের মতো দৌড়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ঢুকবে।

জেরুজালেমের উপকণ্ঠে অবস্থিত বেনিয়ামিনের ইসরাইল আঞ্চলিক পরিষদ জানিয়েছে, ইসরাইলিদের মোবাইল ফোনগুলো হ্যাক করা হয়েছে এবং ফোনের ঠিকানা হাতিয়ে নিয়ে এ জাতীয় বার্তা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

গত মাসের ১৪ তারিখে চ্যানেল ১০-এর নিয়মিত অনুষ্ঠানমালার স্থানে হঠাৎ করে প্রচারিত হয়েছে হিব্রুবার্তা। এ বার্তায় বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী থেকে সন্তানদের ঘরে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়েছে ইসরাইলি মায়েদের প্রতি। তানা হলে তারা ধরা বা মারা পড়বে। এ বার্তা কে, কিভাবে দিয়েছে তা বোধহয় আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এ ছাড়া, এ বার্তা ইসরাইলিদের কতোটা আতংকিত করেছে তাও অনুমানের অপেক্ষা রাখে না। 

এ ছাড়া, সার্ভারে হামলা করে  ইহুদিবাদী ইসরাইলের নেটভিশন লি এবং বেজেক ইন্টারন্যাশনাল লি.-এর মতো ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিয়েছে হামাস।
সুত্র : রেডিও তেহরান
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

গাজায় যুদ্ধপরাধ করছে, "ইসরাইল" নাভি পিল্লাই

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই বলেছেন, গাজায় চলমান আগ্রাসনে ইচ্ছাকৃত ভাবে আন্তর্জাতিক আইন পদদলিত করে  যুদ্ধপরাধ করছে ইসরাইল। জেনেভায় আজ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।  এ  ছাড়া তিনি হামাসেরও কিছু সমালোচনা করেছেন।

নাভি পিল্লাই বলেন, গাজায় স্কুল, হাসপাতাল, ঘরবাড়ি এবং জাতিসংঘ স্থাপনাসহ বেসামরিক মানুষ বসবাসকারী এলাকায় হামলা করে তেল আবিব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। এ জাতীয় হামলা ঘটনাক্রমে হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। দৈনিক কিছু সময় মানবিক কারণে গাজা যুদ্ধের বিরতি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা হলে পানি ও খাদ্য যোগাড়ের অবকাশ পাবেন ফিলিস্তিনিরা।

এ ছাড়া, গাজার বিদ্যুৎ প্লান্ট, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির কুপগুলোর ওপর ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ২০০৯ সালের গাজা যুদ্ধের সময়ও একই কাজ করেছে ইসরাইল। গাজায় এখন যা ঘটছে তা আগেও ঘটেছে এবং গাজা যুদ্ধ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি ইসরাইলের এ জাতীয় তৎপরতাকে যুদ্ধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানান তিনি।

তার কঠোর সমালোচনা থেকে রেহাই পায় নি ইসরাইলে ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোলার আঘাত থেকে ফিলিস্তিনিদের রক্ষা করার বদলে  তেল আবিবের আয়রন ডোম উন্নয়নে অর্থ ঢালছে আমেরিকা।

সুত্র : রেডিও তেহরান
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

কার কত হিম্মত- কামাল: আন্দোলনে জনসমর্থন নেই- মুহিত

আসাদুজ্জামান খান কামাল- আবুল মাল আব্দুল মুহিত
'দেশের মানুষ স্বস্তি ও শান্তিতে আছে' দাবি করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, 'মানুষ নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে চায়। যদি এর কোনো ব্যত্যয় ঘটে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মাঠে থাকবে। তখন দেখব কার কত হিম্মত।’

আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘আমরা নগরবাসী’ আয়োজিত ঈদ আনন্দ র‍্যালিপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ হুঁশিয়ারি দেন। আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আগামীকাল শুক্রবার থেকে পুরো দেশবাসী শোকের মাস হিসেবে পালন করবে। এই শোকের মাসে বিএনপি আন্দোলনের কথা বলেছে। তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করুক আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে আন্দোলনের নামে গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগের মতো জ্বালাও-পোড়াও, পেট্রল ঢেলে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার মতো জঘন্য কাজ করলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে যা যা দরকার, তাই করবে।’

ওই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

এদিকে, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, 'দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষেই আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কোনো আন্দোলনেই জনগণের সমর্থন পাওয়া যাবে না।'

ঈদের ছুটি শেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ঈদের পর বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলনে নামার ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপি যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তা সফল করার মতো কোনো ধরনের শক্তি আর নাই। জনগণ তাদের সঙ্গে নাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই আন্দোলন সফল করা সম্ভব নয়।'

আন্দোলন হলে অর্থনীতিতে এর প্রভাব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আন্দোলন হলে মানুষ যদি চলাচল করতে না পারে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি না হয় তাহলে অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বেই। যারা আন্দোলন করেন তারাও সেটা জানেন।'

এ সময় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ  মান্নান, অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. আসলাম আলমসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
  সুত্র : রেডিও তেহরান

Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বাংলাদেশ


এ বিষয়ের সব সংবাদ

এশিয়া


এ বিষয়ের সব সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য


এ বিষয়ের সব সংবাদ

আমেরিকা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

ইউরোপ


এ বিষয়ের সব সংবাদ

আফ্রিকা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

খেলাধুলা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

বিনোদন


এ বিষয়ের সব সংবাদ

ভিন্ন রকম


এ বিষয়ের সব সংবাদ

প্রযুক্তি


এ বিষয়ের সব সংবাদ

অর্থনীতি


এ বিষয়ের সব সংবাদ

শিল্প ও সাহিত্য


এ বিষয়ের সব সংবাদ